উপন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র সান্নিধ্য, বয়স ত্রিশের মধ্যে, চাকরি করে এক নামী পত্রিকা অফিসে। রূপোলি পর্দার এক স্বনামধন্য তারকা প্রৌঢ় নিলয় বসুর আত্মজীবনী লেখার দায়িত্ব বর্তায় সান্নিধ্য’র উপর। পাকেচক্রে চাকরি ছেড়ে সে-ও হয়ে যায় ভূতুড়ে লেখক অর্থাৎ ঘোস্ট রাইটার। লিখতে লিখতে সান্নিধ্য জানতে পারে নিলয় বসুর জীবনের গূঢ় তথ্য, তৈরি হয় রহস্য, দানা বাঁধে সন্দেহ। সেই চক্রব্যূহে আটকে পড়ে সান্নিধ্য। আত্মপরিচয় নিয়ে তৈরি হয় সংশয়। এরই মধ্যে এক তরুণী যার চিবুকের ডানদিক ঘেঁষে রয়ে একটি ছোট্ট কালো তিল। দমকা বাতাসের মতো সে উড়িয়ে নিয়ে যায় সকল মলিনতা।
তবে খুন বা ঐ জাতীয় রহস্য নয় বরং ভালোবাসা, সামাজিক চড়াই-উতরাই ও মনস্তত্ত্বের গল্প বলবে এই উপন্যাসটি। পাবেন একজন ঘোস্ট রাইটারের খ্যাতি-যশ না পাওয়ার যন্ত্রণা, অবসাদ, এবং তার শিকড় খোঁজার তাগিদ।

















