ইচ্ছাপূরণের তাগিদে নিজের সত্তাকে ছাপিয়ে কোনো মানুষ যখন মুক্ত বিহঙ্গের মতো বাঁচতে শিখে যায় তখন, তার জীবন হয়ে ওঠে বোহেমিয়ানের মতো। ইচ্ছা থাকলেও সকল মানুষের শক্তি পূর্ণতা পায়না। খুব কম সংখ্যক কিছু মানুষ থাকেন যাদের অদৃশ্য দুটো পাখনা থাকে। মাটিতে পা রেখে তারা মহাশূন্যে উড়তে পারেন। বেঁচে থাকেন যুগ-যুগান্তর ধরে।
সনাতন ভারতবর্ষের আধ্যাত্মিক চেতনা ও ঐতিহ্য আজও অক্ষত। আমার জীবনে এমন একজন বোহেমিয়ানকে পেয়েছিলাম যিনি প্রাচীন ভারতবর্ষের গুহ্যবিদ্যার মূল সূত্র ও ঘটনা লিপিবদ্ধ করতেন এদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রান্তর থেকে। সে বোহেমিয়ানকে দেখে মনে হতো যেন আয়নায় নিজেকে দেখছি। মানসিকতা এবং চেহারায় কোথাও যেন নিজেকেই খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই বইটিতে।
চোখের সামনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা এবং কিছু আধ্যাত্মিক সূত্র একসাথে মিশে গেছে, নদী যেমন সাগরে নিজেকে মিশিয়ে দেয়, অনেকটা তেমনই।
**---------***---------**--------**
বোহেমিয়ানের সাধুসঙ্গ দ্বিতীয় খন্ড




















