বাস্কেটবল নিয়ে বই? বাঙলা ভাষায়? খায় না মাথায় দেয়? আজ্ঞে ইতিহাসের পাতায় দেওয়া উচিৎ ছিল। হয়নি। তাই একটা জীবন ছুঁই ছুঁই ‘গাঁজাখুরি’ গপ্পো ফাঁদতে হল।
দু’ড্রপের ড্রিবল, টু-পয়েন্টার, থ্রি-পয়েন্টার মিলিয়ে হাওয়ায় হাওয়ায় খেলা। তারই একজন কোচ আর একজন প্লেয়ার গল্পের মুখ্য চরিত্রে। খেলার গল্প মানেই তো তাই! নিশ্চয়ই একটা আদ্যন্ত কিশোরপাঠ্য ক্রীড়া-উপন্যাস? কিন্তু লালন সাঁই যে বলেছেন ‘হাওয়ার খেলা’ আরেক অর্থে জীবন। জীবনের কি আর ছোট-বড়ো হয়? তবে সেভাবে যদি বলেন এটা ঠিক বইয়ের দোকানে ‘অনূর্ধ্ব আঠেরো’ তাকে সাজিয়ে রাখার উপন্যাস নয়।
বটে, খেলা নিয়ে বড়দের গপ্পো? তাও নিশ্চয়ই শেষে গিয়ে সেই আন্ডারডগের খেলার মাঠে উত্থান? পতাকা উড়িয়ে জয়জয়কার? রাগ করবেন না! তাও নেই। খেলা আছে, মাঠ আছে, উত্থান আছে – আবার দু’পা এগিয়ে সশব্দে পতনও আছে।
নামবেন নাকি? কোর্টে? খেলা শুরুর বাঁশি বাজছে। শুনতে পাচ্ছেন?























