জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি। বাঙালির জীবন যে বাড়ি ছাড়া ভাবা যায় না। যার যাত্রা শুরু হয়েছিল প্রিন্স দ্বারকানাথকে দিয়ে, অত্যুজ্জ্বল আলোয় যে বাড়ি মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুত্রকন্যা, নাতি-নাতনিদের মধ্য দিয়ে উদ্ভাসিত হল, তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন অবিস্মরণীয় রবীন্দ্রনাথ।
রবীন্দ্রনাথের দাদা হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মেজ মেয়ে প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী। স্বামী ছিলেন অসমের সাহিত্যরথী লক্ষ্মীকান্ত বেজবড়ুয়া। প্রজ্ঞাসুন্দরীর কাছে রন্ধনচর্চা ছিল এক সৃজনশীল শিল্প, তাঁর অবসরের অনাবিল আনন্দ। স্বামীর উৎসাহে এবং জোরাজুরিতে তিনি লিখে রাখতে শুরু করলেন নানা বিচিত্র রান্নার প্রণালী।
স্বামী লক্ষ্মীকান্ত তাঁকে সাহস দিলেন, এই সমস্ত আমিষ ও নিরামিষ আহার একত্রিত করে বই প্রকাশ করার। যে কালে রান্নার বই লেখা ও প্রকাশের কথা ভাবা যেত না, সেই সময়ে প্রকাশিত হয় প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবীর একাধিক বই। সবমিলিয়ে প্রায় ২৫০০ রান্নার পদ!
কী নেই এই বইতে! রন্ধনপ্রণালীর অতুল মহাসাগর। এমন কোনও আমিষ ও নিরামিষ আহার কল্পনা করা কঠিন, যা এই বইতে নেই!
আমিষ নিরামিষ মিলিয়ে নানাবিধ কালিয়া-কোপ্তা, কারি-কাবাব-কোর্মা, চপ-কাটলেট, হিঙ্গি, বড়ি, পোলাও-খিচুড়ি, সসেজ ভাজা, গ্রিল, স্যুপ ঘণ্ট, ভাজিভুজি, ডাল ডালনা, দোলমা, ধোঁকা, পায়স-কাঁকড়া, চিংড়ি থেকে শুরু করে মাছ, মুরগি, হ্যাম এমনকী পর্ক-খরগোশ-পাখি পর্যন্ত।
এককথায় প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবীর ‘আমিষ ও নিরামিষ আহার’ রন্ধন চর্চার এক আকর গ্রন্থ।
top of page
SKU: 000420
₹999.00 Regular Price
₹849.00Sale Price
Related Products
bottom of page


















